প্রাথমিকের চাকরি হবে আরও সম্মানজনক ও আকর্ষণীয়: প্রতিমন্ত্রী টুকু

প্রকাশিত: ১০:৫৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ৭, ২০২৬

প্রাথমিকের চাকরি হবে আরও সম্মানজনক ও আকর্ষণীয়: প্রতিমন্ত্রী টুকু
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে এবং প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিকে আরও সম্মানজনক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

 

আজ শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় আয়োজিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্মাননা ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম যে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষা একটি জাতির ভিত্তি। তাই প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে এটি একটি লোভনীয় ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মেধাবীরা এ পেশায় আগ্রহী হয়।’

 

তিনি বলেন, ‘একটি ভবনের ভিত্তি যত শক্ত হয়, ভবন তত উঁচুতে উঠতে পারে। ঠিক তেমনি একটি জাতির উন্নয়নের ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। তাই প্রাথমিক স্তরকে শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি।’

 

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মন্দিরভিত্তিক এই শিক্ষা কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে উঠছে, পাশাপাশি তারা শিক্ষার ক্ষেত্রেও নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারছে।’

 

 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু বলে কোনো কথা নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেকোনো বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।’

 

 

শিক্ষকদের উদ্দেশে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, ‘আপনারা মানুষ গড়ার কারিগর। একজন শিক্ষিত মানুষ তৈরির পেছনে শিক্ষকদের অবদান অপরিসীম। তাই শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।’

 

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রবিউল ইসলাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বাবু শ্যামল হোড়, মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক রমেশ চন্দ্র সরকারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

 

 

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

Spread the love