সিলেট ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৪৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত রাজনৈতিক সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, যা জননিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং নির্বাচন নিয়ে জনআস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে সংস্থাটি।
আজ মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এই উদ্বেগ জানিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত হলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হুমকির মুখে পড়বে। সহিংসতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পূর্বশর্ত। ভোট দেওয়া নাগরিকের অধিকার; গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন প্রত্যাশিত। কোনো অবস্থাতেই সংঘাত বা পেশিশক্তির মাধ্যমে জনগণের অধিকার হরণের সুযোগ নেই।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সব ধরনের সংঘাত নিরসনে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
পাশাপাশি নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ পরিহার করে, আইন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সচেতনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে তা নিশ্চিত করতে হবে।
সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও কর্মীদের সংযত ও দায়িত্বশীল আচরণ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষের মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে, নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে, বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।