সিলেট ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:০৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অস্থিরতায় প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি বন্ধ রয়েছে।
কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা ৫ হাজার টন এবং অপরিশোধিত তেলের চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক (মজুত ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা অপরিশোধিত তেল) তুলেও পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল।
ইস্টার্ন রিফাইনারি (ইআরএল) সাধারণত দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে থাকে।
তবে ক্রুড সংকটের কারণে গত মাস থেকেই পরিশোধন কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টন করা হয়েছিল। গত ৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুত ২ হাজার টনের নিচে নেমে এসেছে।
ইআরএলের আরেক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, রোববার বিকেলে পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ট্যাংকের তলানির ১.৫ মিটারের মতো ডেডস্টক ধরা হয়। রোববার বিকেলে তা ১ মিটারের নিচে নেমে গেছে। ফলে আর তা ব্যবহার উপযোগী নয়। আর ডেডস্টকের তেলে থাকা বর্জ্য, স্লাগের কারণে প্ল্যান্টের ক্ষতি হতে পারে। এসব বিবেচনায় পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শরীফ হাসনাত, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমানের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।
বিপিসির তথ্যমতে, দেশে প্রতি বছর ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে ডিজেল ও অপরিশোধিত তেলের পরিমাণ বেশি। প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়।
এলপিজি, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন, ডিজেল ও ফার্নেসসহ ১৬ রকমের তেল জাতীয় পণ্য উৎপাদন করে ইআরএল।