সিলেট ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৪২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
আইসিসির সাথে বয়কট নিয়ে তৈরি হওয়া অচলাবস্থায় পাকিস্তানের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের জন্য ‘সম্মান’ আদায় করা-এমনটাই দাবি করেছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।
গত ১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করেছিল যে, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে তারা মাঠে নামবে না। তবে পিসিবি, বিসিবি এবং আইসিসি-র মধ্যে কয়েক দিনের নেপথ্য আলোচনা ও সমঝোতার পর গত সোমবার গভীর রাতে পাকিস্তান সরকার তাদের বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয়।
আইসিসি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর জন্য বিসিবির ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। সেই সঙ্গে ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্বও পেয়েছে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার পেশোয়ারে সাংবাদিকদের নাকভি বলেন, ‘আমাদের আলোচনায় বাংলাদেশ ছাড়া আর কোনো শর্ত আমরা রাখিনি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের জন্য কিছুটা সম্মান আদায় করা এবং তাদের সাথে হওয়া অন্যায়ের বিচার করা।’
আইসিসি বোর্ডের ভোটাভুটির পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল স্কটল্যান্ডকে। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ সরকার তাদের দলকে ভারতে খেলার অনুমতি দেয়নি, যার সূত্রপাত হয়েছিল বিসিসিআই কর্তৃক আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায়। সেই ভোটের পর নাকভি আইসিসির তীব্র সমালোচনা করে সংস্থাটির বিরুদ্ধে ‘দ্বিমুখী নীতি’র অভিযোগ তুলেছিলেন।
নাকভি দাবি করেছেন যে, সেই অন্যায়ের প্রতিকার করাই ছিল ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের হুমকি দেওয়ার পেছনে পাকিস্তানের একমাত্র প্রেরণা।
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন বাংলাদেশ যা চেয়েছিল তার সবই মেনে নেওয়া হয়েছে। আমাদের ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ এখানে ছিল না। মানুষ যা খুশি বলতে পারে, তবে আমাদের এই পদক্ষেপ ছিল একান্তই বাংলাদেশের জন্য। সরকার সেই ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যখন তাদের দাবি মেনে নেওয়া হলো এবং এটা স্বীকৃত হলো যে তাদের সাথে অন্যায় হয়েছে, তখনই আমরা আবার খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’