সিলেট ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:২৪ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের তৃতীয় দিন খেলছে বাংলাদেশ। যেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা টাইগাররা দাপট দেখাচ্ছে। দারুণ ব্যাট করা মুশফিকুর রহিম টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। মুমিনুলক হককে টপকে টেস্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির মালিক এখন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৮৫ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩২৫ রান করেছে বাংলাদেশ। লিড দাঁড়িয়েছে ৩৭১ রানে।
১৫৬ রানের লিড নিয়ে আজ সোমবার তৃতীয় দিন খেলতে নামে বাংলাদেশ। আগের দিন মুমিনুল হক মাঠ ছাড়তেই দিনের শেষ ঘোষণা করা হয়েছিল। ১৩ রানে অপরাজিত থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ক্রিজে নামেন মুশফিকুর রহিম।
দিনের পঞ্চম ওভারে বাংলাদেশ উইকেট হারায়। শান্ত ৪৬ বলে ১৫ রান করে খুররম শাহজাদের কাছে এলবিডব্লিউ হন। রিভিউ নিয়েও টিকতে পারেননি অধিনায়ক।
এরপর ক্রিজে নামেন লিটন দাস। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে এই ব্যাটার ১৮৮ বলে ১২৩ রান তোলেন। লাঞ্চের পর হাসান আলীর শিকার হওয়া লিটন ৯২ বলে ৬৯ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার। মেহেদী হাসান মিরাজ ৩৯ বলে ১৯ রান করে খুররামের বলে বোল্ড হন।
আগের দিন ৪৬ রানে এগিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ তামিমকে হারায় বাংলাদেশ। অভিষিক্ত এই ওপেনার বাউন্ডারিতে রানের খাতা খুললেও সেটাই ছিল তার ইনিংসের প্রথম এবং একমাত্র স্কোরিং শট। ৭ বল খেলে ৪ রানে ফিরেছেন তিনি।
শুরুর সেই ধাক্কা দারুণভাবে সামাল দেন মুমিনুল হক ও মাহমুদুল হাসান জয়। বিশেষ করে জয় এদিন দারুণ ব্যাটিং করেছেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এই ওপেনার। পেয়েছেন ফিফটির দেখাও। ৬১ বলে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। তবে ফিফটির পরপরই সাজঘরে ফিরেছেন। সবমিলিয়ে ৬৪ বলে করেছেন ৫২ রান।
শেষ বিকেলে মুমিনুলকে হারায় বাংলাদেশ। দারুণ শুরু করা এই ব্যাটার আরও একবার ফিফটির পথে হাঁটছিলেন। তবে এবার থামতে হলো তার আগেই। ৬০ বলে করেছেন ৩০ রান। মুমিনুলের আউটের পরপরই দিনের খেলা শেষ করেন আম্পায়াররা।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেট হারিয়ে ১১০ রান। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছে ২৭৮ রান, আর পাকিস্তান করেছে ২৩২ রান। দ্বিতীয় দিনেই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৪৬ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা।