সিলেট ১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:৫৬ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০২৬
স্পোর্টস ডেস্ক ::
বিশ্বকাপের ৪৮টি দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার পর সামনে আসে বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য। কোন ক্লাব সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় বিশ্বকাপে পাঠিয়েছে, কোন দলের গড় বয়স সবচেয়ে বেশি বা কম—এসব নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা।
সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় বিশ্বকাপে পাঠিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ক্লাবটির ১৯ জন ফুটবলার ১২টি ভিন্ন দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন, যা একটি নতুন রেকর্ড। এরপর রয়েছে জার্মানি, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও স্পেনের লিগ চ্যাম্পিয়ন ক্লাবগুলো। আর্সেনাল একাই ১০টি দেশের জন্য ১৬ জন খেলোয়াড় সরবরাহ করেছে।
ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগের দলগুলোর মধ্যে ক্রিস্টাল প্যালেস ১২ জন খেলোয়াড় পাঠিয়ে চমক দেখিয়েছে। অন্যদিকে সদ্য উন্নীত হওয়া সান্ডারল্যান্ডও ১১ জন খেলোয়াড় বিশ্বকাপে পাঠিয়েছে, যা চেলসি ও লিভারপুলের সমান।
ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে খেলা ফুটবলারদের দিক থেকে স্পেন একমাত্র দল, যার পুরো স্কোয়াডই এসব লিগের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত। অন্যদিকে কুরাসাও, ইরান, ইরাক ও কাতারের কোনো খেলোয়াড়ই গত মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে খেলেননি।
বয়সের বিচারে সবচেয়ে অভিজ্ঞ দল পানামা। তাদের গড় বয়স সবচেয়ে বেশি। ইরান ও কলম্বিয়াও ৩০ বছরের বেশি গড় বয়স নিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। ব্রাজিলের শিরোপা জয়ের আশায় এখনও নির্ভরতা রয়েছে ৩৪ বছর বয়সী দানিলো, কাসেমিরো ও নেইমারের ওপর।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ক্রেইগ গর্ডন। টুর্নামেন্ট শুরুর সময় তার বয়স হবে ৪৩ বছর ১৬২ দিন। অন্যদিকে ৪১ বছর বয়সেও ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এছাড়া লুকা মদরিচ ও এডিন জেকোও ৪০ বছরের বেশি বয়সী খেলোয়াড়দের তালিকায় রয়েছেন।
সবচেয়ে তরুণ দল আইভরি কোস্ট। ১৯ বছর বয়সী ইয়ান দিয়োমান্দে ও ২০ বছর বয়সী বাজুমানা তুরেকে ঘিরে ইতোমধ্যেই বড় ক্লাবগুলোর আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আফ্রিকা কাপজয়ী মরক্কো ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের দলও তুলনামূলকভাবে তরুণ।
এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় মেক্সিকোর গিলবার্তো মোরা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার সময় তাঁর বয়স হবে মাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন। এছাড়া চেক প্রজাতন্ত্রের হুগো সোচুরেক ও জার্মানির প্রতিভাবান লেনার্ট কার্লও তরুণদের মধ্যে বিশেষ নজর কাড়তে পারেন।
সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা, তারুণ্য এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভার সমন্বয়ে এবারের বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের অন্যতম বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় আসর।