১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

প্রকাশিত: ৭:৪৪ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০২৬

১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::

 

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।বুধবার (১০ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ১৭ হাজার ৩৩ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

জুন-আগস্ট ২০২৬ সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্যাকেজ নং-পিজি-০১-এর আওতায় গ্যাস অয়েল ০.০০৫% ‘এস’ এবং জেট এ-১ আমদানির প্রত্যাশাগত অনুমোদনের জন্য একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। জুন-আগস্ট সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে চারটি প্যাকেজে (পিজি-০১, পিজি-০২, পিজি-০৩ ও পিজি-০৪) বিভক্ত করে আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হলে তার মধ্যে প্যাকেজ পিজি-০১-এর জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। তিনটি প্রস্তাবই কারিগরি ও আর্থিকভাবে রেসপনসিভ হয়।

 

প্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশকৃত রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রা. লি., সিঙ্গাপুর সর্বমোট ৪ লাখ ৮০ হাজার মে.টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে। এতে ব্যয় হবে ৬২ কোটি ২৫ লাখ ২৮ হাজার ৬৫৬ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭ হাজার ৬৭২ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা সমপরিমাণ। এ প্রস্তাবের আওতায় গ্যাস অয়েল (০.০০৫% ‘এস’) ৩ লাখ ৯০ হাজার মে.টন এবং জেট এ-১ ৯০ হাজার মে.টন আমদানি করা হবে। জানুয়ারি-জুন ২০২৬ সময়ের তুলনায় জুন-আগস্ট ২০২৬ সময়ে গ্যাস অয়েলের প্রিমিয়াম বৃদ্ধির হার ৬৪.৩৮ শতাংশ এবং জেট এ-১-এর প্রিমিয়াম বৃদ্ধির হার ৫৩.৮৪ শতাংশ।

সূত্র জানায়, জুন-আগস্ট ২০২৬ সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্যাকেজ নং-পিজি-০২-এর আওতায় গ্যাস অয়েল ০.০০৫% ‘এস’ এবং জেট এ-১ আমদানির প্রত্যাশাগত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। ২০২৬ সালের জুন-আগস্ট সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে চারটি প্যাকেজে (পিজি-০১, পিজি-০২, পিজি-০৩ ও পিজি-০৪) বিভক্ত করে আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হলে তার মধ্যে প্যাকেজ পিজি-০২-এর জন্য চারটি প্রতিষ্ঠান থেকে দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। চারটি প্রস্তাবই কারিগরি ও আর্থিকভাবে রেসপনসিভ হয়।

 

প্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশকৃত রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান ভিটল এশিয়া প্রা. লি., সিঙ্গাপুর ৪ লাখ ২০ হাজার মে.টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে। এতে ব্যয় হবে ৫৪ কোটি ৪৫ লাখ ৬৩ হাজার ৯৮৮ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ হাজার ৭১১ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার টাকা সমপরিমাণ। এ প্রস্তাবের আওতায় গ্যাস অয়েল (০.০০৫% ‘এস’) ৩ লাখ ৪০ হাজার মে.টন এবং জেট এ-১ ৮০ হাজার মে.টন আমদানি করা হবে। জানুয়ারি-জুন ২০২৬ সময়ের তুলনায় জুন-আগস্ট ২০২৬ সময়ে গ্যাস অয়েলের প্রিমিয়াম বৃদ্ধির হার ৬৩.৭৩ শতাংশ এবং জেট এ-১-এর প্রিমিয়াম বৃদ্ধির হার ৫৩.৪৫ শতাংশ।

 

সূত্র জানায়, জুন-আগস্ট ২০২৬ সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্যাকেজ নং-পিজি-০৩-এর আওতায় ফার্নেস অয়েল ১৮০ সিএসটি আমদানির প্রত্যাশাগত অনুমোদনের প্রস্তাব সভায় উপস্থাপন করা হয়। ২০২৬ সালের জুন-আগস্ট সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে চারটি প্যাকেজে (পিজি-০১, পিজি-০২, পিজি-০৩ ও পিজি-০৪) বিভক্ত করে আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হয়। এর মধ্যে প্যাকেজ পিজি-০৩-এর জন্য চারটি প্রতিষ্ঠান থেকে দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। এর মধ্যে তিনটি প্রস্তাব কারিগরি ও আর্থিকভাবে রেসপনসিভ হয়।

 

প্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশকৃত রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান ট্রাফিগুরা প্রা. লি., সিঙ্গাপুর মোট ২ লাখ মে.টন ফার্নেস অয়েল সরবরাহ করবে। এতে ব্যয় হবে ১৫ কোটি ৪১ লাখ ৬২ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ৯০০ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা সমপরিমাণ। জানুয়ারি-জুন ২০২৬ সময়ের তুলনায় জুন-আগস্ট ২০২৬ সময়ে ফার্নেস অয়েলের প্রিমিয়াম বৃদ্ধির হার ৪৫.০৭ শতাংশ।

 

সভায় জুন-আগস্ট ২০২৬ সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্যাকেজ নং-পিজি-০৪-এর আওতায় গ্যাসোলিন-৯৫ আনলোডেড আমদানির প্রত্যাশাগত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। ২০২৬ সালের জুন-আগস্ট সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে চারটি প্যাকেজে (পিজি-০১, পিজি-০২, পিজি-০৩ ও পিজি-০৪) বিভক্ত করে আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হলে তার মধ্যে প্যাকেজ পিজি-০৪-এর জন্য পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। এর মধ্যে চারটি প্রস্তাব কারিগরি ও আর্থিকভাবে রেসপনসিভ হয়।

 

প্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশকৃত রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান ভিটল এশিয়া প্রা. লি., সিঙ্গাপুর মোট ৫০ হাজার মে.টন গ্যাসোলিন-৯৫ আনলোডেড সরবরাহ করবে। এতে ব্যয় হবে ৬ কোটি ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭৪৮ কোটি ৯৬ লাখ ১০ হাজার টাকা সমপরিমাণ। জানুয়ারি-জুন ২০২৬ সময়ের তুলনায় জুন-আগস্ট ২০২৬ সময়ে গ্যাসোলিন-৯৫ আনলোডেডের প্রিমিয়াম বৃদ্ধির হার ৪৭.৫৩ শতাংশ।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930