সিলেট ১৩ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২৫
আন্তজাতিক ডেস্ক ::
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার এই ‘সংকটাপন্ন’ শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
এই তালিকায় রয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি, ইন্ডিয়া টুডে, আনন্দবাজার অনলাইন, হিন্দুস্তান টাইমস, পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জি নিউজ, দ্য ডন, মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ, জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাতে কাতারভিত্তিক আল জাজিরা শিরোনাম করেছে, খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়া।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য উদ্ধৃত করে গালফ নিউজও একই শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
পাকিস্তানের ডন নিউজ, আরব নিউজ এবং ভারতের এনডিটিভি খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।
টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দু ও হিন্দুস্তান টাইমসও গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ করেছে।
এ ছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্ধৃতি দিয়ে আরব নিউজ জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা খুবই ক্রিটিকাল।
উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা গত তিন দিন ধরে একই পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা চলছে। যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, চীন ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশের হাসপাতালের চিকিৎসকদের যৌথ আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে এখানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে এবং অব্যাহত থাকবে।
৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি এখন হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রয়েছেন।