সিলেট ২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:০৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
আন্তজাতিক ডেস্ক ::
আকাশে যুদ্ধের কালো মেঘ, সমুদ্রের নোনা জলে আছড়ে পড়ছে বারুদের তীব্র গন্ধ। প্রশান্ত মহাসাগরের এক কোণে যখন এক পরাক্রমশালী ড্রাগন তার নিঃশ্বাস তপ্ত করে তুলছে, তখন পাল্টা প্রতিরোধে এক দুর্ভেদ্য দুর্গ গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষুদ্র একটি দ্বীপরাষ্ট্র। উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই প্রশান্ত মহাসাগরের ওপার থেকে ভেসে এলো এক বিশাল সামরিক হুঙ্কার।
দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পরপরই তাইওয়ানের কাছে ১১ বিলিয়ন ডলারের অর্থাৎ, প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা সমমূল্যের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এই প্যাকেজে থাকছে দূরপাল্লার বিধ্বংসী হিমার্স রকেট সিস্টেম, অত্যাধুনিক হাউইটজার কামান ও আধুনিক সব মিসাইল। উল্লেখ্য, এই একটি প্যাকেজের আকার জো বাইডেন আমলের ১৯ দফার মোট অস্ত্র বিক্রির পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে।
এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে চীন। বেইজিংয়ের দাবি, এটি তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত এবং এর ফলে ওই অঞ্চলে রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, তাইওয়ান একে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার ঢাল হিসেবে দেখছে। দ্বীপরাষ্ট্রটি ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
একদিকে জাপানের সঙ্গে চীনের আকাশপথে সংঘর্ষের উপক্রম, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই বিপুল সমরাস্ত্র সরবরাহ— সব মিলিয়ে তাইওয়ান প্রণালি এখন বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বিপজ্জনক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।