সিলেট ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৩৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০২০
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ
ফ্রান্সের নিস শহরে গির্জার সামনে হামলা করে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনজনকে হত্যা করেছে এক যুবক। ২১ বছর বয়সী ওই হত্যাকারী সম্প্রতি তিউনিশিয়া থেকে ফ্রান্সে গিয়েছিল। সঙ্গে ছিল ইটালির রেডক্রসের নথিপত্র। তার পকেট থেকে একটি কোরআন, দুইটি সেলফোন ও একটি ১২ ইঞ্চির ছুরি পাওয়া গেছে বলে ফ্রান্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আজ শুক্রবার জার্মান গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলে বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস খানেক আগে ইটালির একটি দ্বীপে পৌঁছায় তিউনিশিয়ার ওই যুবক। ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার পর তাকে ইটালি ছেড়ে যেতে বলা হয়। সেখান থেকেই তিউনিশিয়ার ওই যুবক অক্টোবর মাসে ফ্রান্সে আসে।
আরও আক্রমণের চেষ্টা?
দক্ষিণ ফ্রান্সের শহর এভিনিওঁ-তে এক যুবক হ্যান্ডগান নিয়ে ঘুরছিল। পুলিশ তাকে গুলি করে মেরেছে। নিসের গির্জায় তিনজনের হত্যার পরই লিওঁ শহরে এক আফগান বড় ছুরি নিয়ে ট্রামে উঠতে যাচ্ছিল। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
সৌদি আরবের সরকারি টিভি জানিয়েছে, ফরাসি কনসুলেটের গার্ডকে আক্রমণ করেছিল এক ব্যক্তি। গার্ড আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, তবে তার জীবনের ঝুঁকি নেই। আক্রমণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে গির্জায় আক্রমণের ঘটনাকে আরেকটি ‘মুসলিম জঙ্গি হানা’ বলে অভিহিত করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। তিনি বলেছেন, চার্চ, স্কুলের মতো জায়গাগুলোকে রক্ষা করার জন্য সেনার সংখ্যা তিন হাজার থেকে বাড়িয়ে সাত হাজার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আক্রমণের তদন্ত শুরু হয়েছে।
মাক্রোঁ বলেন, ‘আমরা যদি আবার আক্রান্ত হই তাহলে বুঝতে হবে আমাদের মূল্যবোধের ওপর আঘাত হানা হচ্ছে। এই মূল্যবোধগুলিই আমাদের স্বাধীনতা। আমরা মুক্ত চিন্তার পক্ষে। কোনো জঙ্গি হানার কাছে আমরা মাথা নত করব না। আমি আবার জানাতে চাই, আমরা কোনো কিছুর কাছে আত্মসমর্পণ করব না।’