সিলেট ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৩৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
প্রথম দফায় সমঝোতায় ব্যর্থ হওয়ার পর চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আবারও শান্তি আলোচনায় বসতে পারে- এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আজ বুধবার সিএনএন ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ফের আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আসলেই আপনার সেখানে (ইসলামাবাদে) থাকা উচিত। কারণ আগামী দুই দিনে কিছু একটা ঘটতে পারে, এবং আমরা সেখানে যেতে বেশ আগ্রহী।’
এর আগে পাকিস্তানেরাবাদে চলতি সপ্তাহের শনি ও রোববারের আলোচনায় সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
উল্লেখ্য, সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারার জন্য পরস্পরকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
এদিকে ঐতিহাসিক এ শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার।
অপরদিকে ইরান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। এছাড়া এ আলোচনায় ইরান প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আয়োজক হিসেবে দুই পক্ষের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন।
প্রসঙ্গত, ত্রিপক্ষীয় ম্যারাথন বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধান দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র নমনীয়তা ও সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।’
ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে। এটাই ভালো খবর। কিন্তু খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারিনি।’
তবে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই বলেছিলেন, ‘এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সাফল্য নির্ভর করছে বিপরীত পক্ষের আন্তরিকতা, সদিচ্ছার ও সৎ অবস্থানের ওপর।’
ওয়াশিংটনকে অতিরিক্ত ও অবৈধ দাবি পরিহার করে ইরানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ মেনে নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছিলেন ইসমাইল বাগাই।